‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ থেকে উন্নয়নশীল দেশ

‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ থেকে উন্নয়নশীল দেশ
সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার ১৯৭২ সালে বলেছিলেন, বাংলাদেশ একটি ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ হতে যাচ্ছে। সত্তরের দশকে জাস্ট ফ্যালান্ড ও জন পার্কিনসন নামের দুই অর্থনীতিবিদের যৌথভাবে লেখা বাংলাদেশের উন্নয়ন-সম্পর্কিত বিখ্যাত বইটির নাম ছিল বাংলাদেশ: এ টেস্ট কেইস অব ডেভেলপমেন্ট।

১৬ মার্চ জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিল বাংলাদেশ সরকারকে আনুষ্ঠানিক পত্রের মাধ্যমে জানিয়েছে যে বাংলাদেশ যেহেতু স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের ক্যাটাগরিতে উত্তরণের তিনটি পূর্বশর্ত পূরণ করেছে, তাই ২০১৮ সাল থেকে বাংলাদেশের এই উত্তরণপর্ব শুরু হয়েছে।

উত্তরণপর্ব ছয় বছর মনিটর করার পর ২০২৪ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ঘোষণা করবে। জাতিসংঘ স্বল্পোন্নত, উন্নয়নশীল ও উন্নত দেশের ক্যাটাগরির প্রচলন করেছিল ১৯৭১ সালে। ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হওয়ার পর ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর সরকার বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করাতে সক্ষম হয়েছিল স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য প্রযোজ্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা লাভের প্রত্যাশায়, যদিও সাড়ে সাত কোটি জনসংখ্যার কোনো দেশকে সাধারণত এই ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করার নিয়ম ছিল না। এই ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্তির পর্যায়ে বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত আশা ছিল, স্বাধীনতা-পরবর্তী চরম সংকটজনক অর্থনৈতিক অবস্থা কাটিয়ে ওঠার পর এক দশকের মধ্যেই বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের পরিচয় ঝেড়ে ফেলে উন্নয়নশীল দেশের ক্যাটাগরিতে উত্তরণে সক্ষম হবে। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু সপরিবার নিহত হওয়ার পর রাষ্ট্রক্ষমতা জবরদখলকারী সরকারগুলো স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে নানান ধরনের রিলিফ, খয়রাতি সাহায্য, বৈদেশিক অনুদান এবং স্বল্প সুদের ঋণ (তথাকথিত সফট লোন) পাওয়ার পাশাপাশি অন্যান্য দেশের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানিপণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা পাওয়ায় বাংলাদেশের এই অবমাননাকর পরিচয়টিকে অগ্রহণযোগ্য বিবেচনা করেনি। একই কারণে ১৯৯১ সালের পরও ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত কিছু সরকারের কাছে স্বল্পোন্নত দেশের ক্যাটাগরি থেকে উত্তরণকে হয়তো আর তেমন আকর্ষণীয় বিষয় মনে হয়নি!

১৯৭৪ সালে মার্কিন ষড়যন্ত্রে দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়, যাতে প্রায় ১ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে বলে ধারণা করা হয়। পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধুই আফসোস করেছিলেন, ‘আমি সারা দুনিয়া থেকে বাংলার দুঃখী মানুষের জন্য ভিক্ষা করে আনি আর তা সাবাড় করে দেয় চাটার দল।’

জিয়াউর রহমান ক্ষমতাসীন হওয়ার পর বাংলাদেশে বৈদেশিক অনুদান ও সফট ঋণের বান ডেকেছিল। প্রফেসর রেহমান সোবহানের বিশ্বখ্যাত বই দ্য ক্রাইসিস অব এক্সটারনাল ডিপেন্ডেন্স-এর ৯ পৃষ্ঠার সারণিতে দেখানো হয়েছে যে জিয়াউর রহমানের শাসনামলে বৈদেশিক অনুদান ও ঋণপ্রবাহ ক্রমে বৃদ্ধি পেতে পেতে ১৯৮১-৮২ অর্থবছরে জিডিপির অনুপাত হিসেবে তা ১৩ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছিল, যেটা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বৈদেশিক সহায়তানির্ভরতার নজির হয়ে গেছে। জিয়া বলতেন, ‘মানি ইজ নো প্রবলেম।’ বিএনপি সরকারের অর্থমন্ত্রী প্রয়াত সাইফুর রহমানও বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান সংগ্রহে তাঁর সাফল্যকে খুবই গর্বভরে উল্লেখ করতেন। জিয়াউর রহমানের কেনাবেচার রাজনীতির স্বার্থেই বৈদেশিক সাহায্য লুণ্ঠনের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হয়েছিল তাঁকে। (যদিও তিনি নিজে দুর্নীতি করতেন না বলে ধারণা রয়েছে!) মার্কাস ফ্রান্ডা তাঁর বইয়ে লিখেছেন যে জিয়া একাধিকবার বলেছেন, ‘এ দেশে রাজনীতিবিদ ও আমলাদের দুর্নীতিকে তৃতীয় বিশ্বের অন্যান্য দেশের বাস্তবতার মতো স্বাভাবিক বলেই মেনে নিতে হবে।’

স্বৈরাচার এরশাদের শাসনামল থেকে বাংলাদেশের সরকারব্যবস্থাকে ‘চৌর্যতন্ত্র’ (kleptocracy) আখ্যায়িত করা হচ্ছে। এই চৌর্যতন্ত্র শক্তিশালী হতে হতে ২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত পাঁচবার বাংলাদেশ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে ‘বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ’ অর্জন করে ফেলেছে। গত এক দশকে অবস্থার কিঞ্চিৎ উন্নতি হলেও স্বীকার করতেই হবে যে বাংলাদেশের উন্নয়নের পথে এখনো সবচেয়ে বড় বাধা দুর্নীতি, পুঁজি লুণ্ঠন ও পুঁজি পাচার।

সত্তর ও আশির দশকের ওই দুর্দশা ও বিশ্বভিক্ষুকের দীনহীন অবস্থা থেকে গত সাড়ে তিন দশকে বাংলাদেশের যে চমকপ্রদ অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা, তাতে প্রধান ভূমিকা পালন করে চলেছে কৃষি খাত, রপ্তানি খাত, প্রবাসীদের রেমিট্যান্স, ক্ষুদ্রঋণ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাত। বাংলাদেশের অর্থনীতির এই অগ্রযাত্রা বিশ্বের সপ্রশংস দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তালিকাটি দেখুন:

১. ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশ ধান উত্পাদনে স্বয়ম্ভরতা অর্জন করে চলেছে, যদিও ২০১৭ সালের অকালবন্যার কারণে গত বছর আবারও দেশে খাদ্যঘাটতির সৃষ্টি হয়েছে। মিঠাপানির মাছ উত্পাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে চতুর্থ স্থান দখল করেছে। শাকসবজি উত্পাদনেও স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এটাও গুরুত্ববহ যে দেশে ১৫ লাখ টন খাদ্যশস্যের বিশাল মজুত গড়ে তোলা হয়েছে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যেই।

২. বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৩ হাজার ৫০৭ কোটি ডলারে পৌঁছে গেছে, অথচ ১৯৮১-৮২ সালে তা ছিল মাত্র ৭৫ দশমিক ২ কোটি ডলার। রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮১ শতাংশই আসছে তৈরি পোশাক খাত থেকে। বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও সঞ্জীবিত হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, সিরামিক পণ্য, জাহাজ নির্মাণ ও কৃষিভিত্তিক খাদ্যপণ্য রপ্তানি বাজারে ভালোই সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে।

৩. বাংলাদেশের ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষ বিদেশে কাজ করছেন এবং বসবাস করছেন। তাঁরা প্রতিবছর ফরমাল চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে ১৩-১৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন। হুন্ডি পদ্ধতি ও অন্যান্য ইনফরমাল চ্যানেলে আরও ৮-১০ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিতে প্রবেশ করছে বলে ধারণা করা হয়। ফলে এই ২২-২৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স বৈদেশিক বিনিয়োগের বিকল্প হিসেবে অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করে চলেছে।

৪. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ‘খানা আয়-ব্যয় জরিপ ২০১৬’ বলছে, ২০১৬ সালে বাংলাদেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থানকারী জনসংখ্যার অনুপাত ২৪ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে। ২০১০ সালে দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থানকারী জনসংখ্যার অনুপাত ছিল ৩১ দশমিক ৫ শতাংশ, ২০০৫ সালে ছিল ৪০ শতাংশ, আর ২০০০ সালের জরিপে ওই অনুপাত ছিল ৪৪ শতাংশ।

৫. ১৯৮১-৮২ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপির অনুপাত হিসেবে বৈদেশিক সাহায্য ১৩ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছিল। গত ৩৭ বছরে বৈদেশিক সাহায্যের ওপর এ দেশের অর্থনীতির নির্ভরতা কমতে কমতে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে জিডিপির ২ শতাংশের নিচে নেমে গেছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো ২০১৬-১৭ অর্থবছরের ওই বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের মাত্র ২ শতাংশের মতো ছিল খাদ্য সাহায্য আর বাকি ৯৮ শতাংশই ছিল প্রকল্প ঋণ। বিংশ শতাব্দীর সত্তর ও আশির দশকে বাংলাদেশ যে বৈদেশিক সাহায্য পেত, গড়ে তার ২৯ দশমিক ৪ শতাংশ ছিল খাদ্য সাহায্য, ৪০ দশমিক ৮ শতাংশ ছিল পণ্য সাহায্য, আর ২৯ দশমিক ৮ শতাংশ থাকত প্রকল্প সাহায্য (রেহমান সোবহান, প্রাগুক্ত, (১৯৮২) পৃ: ৬২)। ওই সত্তর ও আশির দশকগুলোতে সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন বাজেটগুলোর প্রায় শতভাগ বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের ওপর নির্ভরশীল ছিল, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উন্নয়ন বাজেটের বৈদেশিক ঋণ বা অনুদাননির্ভরতা এক-পঞ্চমাংশের নিচে নেমে গেছে।

৬. গত তেরো অর্থবছরের দুই বছর বাদে প্রতিবছর বাংলাদেশ তার লেনদেন ভারসাম্যের চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত অর্জন করে চলেছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের বৈধ পথে পাঠানো রেমিট্যান্সের চমকপ্রদ প্রবৃদ্ধির হার এবং বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের চমকপ্রদ প্রবৃদ্ধি দেশের লেনদেন ভারসাম্যের এই স্বস্তিকর অবস্থা সৃষ্টি করেছে। এক দশক ধরে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলেছে এবং ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ এই রিজার্ভ ৩ হাজার ৩২৫ কোটি ডলারে পৌঁছে গেছে।

৭. বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ক্রমান্বয়ে বেড়ে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৭ দশমিক ২৮ শতাংশে পৌঁছে গেছে। (অবশ্য দেশে আয় ও সম্পদ পুঞ্জীভবনের একটি শক্তিশালী প্রক্রিয়া চালু রয়েছে। ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি জনগণের ধনাঢ্য গোষ্ঠীগুলোকে বেশি বেশি সুবিধা এনে দিচ্ছে। শক্ত হাতে আয় ও সম্পদ বণ্টনের এই ক্রমবর্ধমান বৈষম্য নিরসন করতেই হবে।)

৮. ক্ষুদ্রঋণ আন্দোলনের সাফল্য গ্রামের ভূমিহীন নারীদের কাছে প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ পৌঁছে দেওয়ার একটা অত্যন্ত কার্যকর হাতিয়ার বাংলাদেশকে উপহার দিয়েছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর এক-চতুর্থাংশের বেশি ঋণগ্রহীতা তাঁদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সাফল্য অর্জন করেছেন। অবশ্য ক্ষুদ্রতরসংখ্যক ঋণগ্রহীতা সাফল্যের সঙ্গে দারিদ্র্য থেকে নিজেদের মুক্ত করতে পেরেছেন। দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীগুলোর কাছে প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ পৌঁছে দেওয়ার এই সফল উদ্ভাবনকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি ইতিবাচক দিক উন্মোচনের কৃতিত্ব দিতেই হবে।

৯. দেশের দ্রুত বিকাশমান পোশাকশিল্পে ৩৫ লাখের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে আর এই শ্রমিকদের ৯০ শতাংশের বেশি নারী। সমাজের দরিদ্র ও প্রান্তিক অবস্থানের এসব নারীর প্রাতিষ্ঠানিক শিল্প খাতে কাজের ব্যবস্থা করাটা তাঁদের বঞ্চনা ও চরম দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে একটি তাৎপর্যপূর্ণ নিরোধক হিসেবে ভূমিকা রাখছে। এ কথা বলতেই হবে, তৈরি পোশাকশিল্প খাত বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নের একটি অত্যন্ত ইতিবাচক প্রতিষ্ঠান হিসেবে উদ্ভূত হয়েছে।

১০. বাংলাদেশের ১৩ কোটি মানুষ এখন মোবাইল টেলিফোনের আওতায় এসে গেছে এবং ৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে।

অবশ্য আমি প্রধান প্রধান চ্যালেঞ্জগুলোর ওপরও আলোকপাত করতে চাই:
ক. রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক দুর্নীতি এখনো দেশের এক নম্বর সমস্যা রয়ে গেছে। সর্বশক্তি দিয়ে শক্ত হাতে দুর্নীতিকে মোকাবিলা করতেই হবে।
খ. প্রাথমিক জ্বালানি ও ভৌত অবকাঠামোগত সমস্যাগুলো খুবই সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়ে গেছে।
গ.২০১৮ সালের নির্বাচনী বছরে রাজনৈতিক হানাহানি ও জঙ্গিবাদী সন্ত্রাস ইতিবাচক অর্জনগুলোকে বরবাদ করে দিতে পারে।
ঘ. শিক্ষার মানের ক্ষেত্রে বৈষম্যকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মোকাবিলা করতে হবে।
ঙ. খেলাপি ঋণের সমস্যা, পুঁজি পাচার ও আর্থিক কেলেঙ্কারিগুলোকে শক্ত হাতে দমন করতে হবে।
চ. ন্যায়বিচারভিত্তিক উন্নয়ন অর্জন করতে চাইলে রাষ্ট্রকে অবশ্যই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আয় পুনর্বণ্টনের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

ড. মইনুল ইসলাম: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ইউজিসি অধ্যাপক

     More News Of This Category